শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:১১ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ
করোনা সংক্রমণ রোধে আতঙ্ক নয়, গণ সচেতনতাই উত্তম...নিরাপদ দুরত্বে পথ চলুন, খাবারের আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন.. নাক, মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন...সবচেয়ে ভালো বাড়ীতেই থাকুন... ধন্যবাদ সবাইকে।
সংবাদ শিরোনামঃ
আড়াইহাজারে দলিল লেখক নুরুল আমীনের ও জাকারিয়া জাকির কাছে জিম্মি সাব-রেজিস্ট্রার অফিস নীলফামারীতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে পোষাক শ্রমিকের মৃত্যু গাজীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার মজিবুর রহমান ফাউন্ডেশন উদ্বোধন ভাষাসৈনিক রেজাউল করিমের মৃত্যুতে নতুনধারার শোক গাইবান্ধায় বাদাম বিক্রি করে সংসারে স্বচ্ছলতা এনেছেন আশিক টঙ্গীতে করোনা টিকা গ্রহণ করে স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু ডিমলায় করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও মাস্ক বিতরণ নোয়াখালী হাতিয়া থানার ওসির বিদায় ও নবাগত ওসিকে বরণ অনুষ্ঠান শীতের পিঠা বিক্রি করে যারা সংসারের চাকা ঘোরাচ্ছেন বিশ্বনাথে গাভীর খামার করে স্বাবলম্বী ফখরুল

কিশোরগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাশফুল

আনোয়ার হোসেন- কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারী কিশোরগঞ্জের গ্রামীণ দৃশ্যপট থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাশফুল।রিমঝিম বর্ষার পরেই ভাদ্র-আশ্বিন জুড়ে শরৎ কালের রাজত্ব।

বয়োজ্যেষ্ঠরা জানান- প্রাচীনকাল থেকে প্রকৃতির ইশারায় ঘাস জাতীয় ছন উদ্ভিদ শরৎকাল এলেই জেগে ওঠে গাঁয়ের নদী, ঝোপ, ঝাড়, রাস্তার আনাচে-কানাচে প্রভূতি স্থানে। তখন সাদা ধব ধবে কাশফুলের মন মাতানো হিল্লোল দোল দিয়ে যায় সবার মনে।

কিন্তু কালের আয়নায় শরতের কাশফুল হারিয়ে যাচ্ছে।শরতের সুনিপুণ নীল আকাশের নিচে কাশ ফুলগুলো যখন দোল খায় একটার সঙ্গে আরেকটা,এমন মুহূর্তে কাশফুলের রোমাঞ্চকর নরম ছোঁয়ায় আবালবৃদ্ধবনিতাদের হৃদয়ের শিহরণ জাগে। নিকট ও অতীতেও গাঁও গ্রামে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা যে, কয়টি কাশবন চোখে পড়ে সেগুলোও প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।

সময়ের পরিক্রমায় সেখানে এখন বিভিন্ন ফসলের মাঠ,বড় বড় ইমারত, শহর বন্দর। প্রকৃতির প্রতি উদাসীন মানুষের রুচি যে, আজ অরুচিতে রূপান্তরিত হয়েছে। তাদের নির্মম আচরণের দরুন তপ্তজলে ভরে উঠেছে শরতের দুই চোখ।

মানুষ যদি প্রকৃতির অনিষ্ট সাধনে আগ্রহী হতে থাকে তাহলে একদিন হয়ত শরতের সাদা ফুলের সঙ্গে আমাদের আর দেখা হবে না। হবে না কোন কথাও। আর শরৎ কে নিয়ে কবি সাহিত্যিকগণও হারিয়ে ফেলবে তাদের কাব্যিক ভাষা।

তখন শরৎকে খুঁজতে হলে উল্টাতে হবে বইয়ের পাতা।আর এতে সাধারণ মানুষের বিনোদন-প্রকৃতিতে দেখার শখ-আহ্লাদও হারিয়ে যাবে। এ ছন গোত্রীয় উদ্ভিদ কাশবন চাষে বাড়তি পরিচর্যা ও সার প্রয়োগের প্রয়োজন হয়না।আপনা থেকে কাশবনের সৃষ্টি হয়ে থাকে।কাশফুল শুধু শুভ্রতার প্রতীকও নয়,কাশবনের চারাগাছ একটু বড় হলেই গরু-মহিষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

কাশ দিয়ে গ্রামের বধূরা ঝাটা, ডালি, দোন তৈরি করে। কৃষকের ঘরের ছাউনি হিসেবেও এর ব্যবহারের জুড়ি নেই। এ উপজেলার কিছু নদী, সেচ ক্যানেল, সড়কের ধারে কাশবন দেখা মিলে। তখন কাশফুলের নরম স্পর্শে মনের বাগিচায় হারিয়ে যায় অনেকে।ফিরে পায় চিরায়িত গ্রাম বাংলার অতীত ঐতিহ্য।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
22232425262728
293031    
       
  12345
2728     
       
    123
18192021222324
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
©  2019 copy right. All rights reserved © 71sangbad24.com ltd.
Design & Developed BY Hostitbd.Com