রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ
করোনা সংক্রমণ রোধে আতঙ্ক নয়, গণ সচেতনতাই উত্তম...নিরাপদ দুরত্বে পথ চলুন, খাবারের আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন.. নাক, মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন...সবচেয়ে ভালো বাড়ীতেই থাকুন... ধন্যবাদ সবাইকে।
সংবাদ শিরোনামঃ
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ময়মনসিংহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট-২০২২’র সংবর্ধনা ত্রিশালে এই প্রথম মনোরম পরিবেশে রিভার কক্সস্ বারবিকউ এন্ড পার্টি সেন্টার বকশীগঞ্জে কারিগরি শিক্ষালয় ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পিঠা উৎসব হ্যালো রংপুর গ্রুপের নারী উদ্যোক্তাদের সম্মাননা স্মারক প্রদান টঙ্গীতে মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজি মুক্ত রাখার নিমিত্তে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত তারাগঞ্জে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে গৃহবস্ত্র বিতরণ নীলফামারীতে নিজ ঘরে আগুন লাগিয়ে অন্যকে ফাঁসানোর চেষ্টা রংপুরের তারাগঞ্জে বসতবাড়ীতে অগ্নিকান্ড জলঢাকায় নবাগত ইউএন ও এর সাথে সুধীজনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নড়াইলে ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল নিদর্শন একই স্থানে মসজিদ-মন্দির নির্বিঘ্নে চলছে নামাজ ও পূজা

উজ্জ্বল রায়- নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ
নড়াইলে একই স্থানে মসজিদ-মন্দির নির্বিঘ্নে চলছে নামাজ ও পুজা ধর্মীয় সম্প্রীতির এমন উজ্জ্বল নিদর্শন রয়েছে চিত্রার নদীর পাড়ে নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা এলাকায়। প্রায় চার দশক ধরে হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ পরষ্পরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করছে। ঐহিত্য মেনে সেই উৎসবে সামিলও হচ্ছেন সবাই। ছোট্ট একটি মাঠের একপাশে মসজিদ আর অন্যপাশে মন্দির।

আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান- সময় হলে কেউ যাচ্ছেন নামাজে, আর কেউ যাচ্ছেন দেবী দর্শনে। স্বাধীনভাবে যার যার ধর্ম পালন করছেন সবাই চলছেন সম্প্রতি রক্ষা করে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে- এক সময় নড়াইলের পুরান সাব রেজিঃ কার্যালয়টি মহিষখোলায় ছিল। সেই কার্যালয়ের পাশেই ১৯৭৪ইং সালে মহিষখোলা পুরাতন সাব রেজিস্ট্রি অফিস জামে মসজিদ নামের এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৯২ইং সালে নতুন করে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আর ১৯৮০ইং সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় মহিষখোলা সার্বজনীয় পূজা মন্দির। নিজস্ব জায়গায় মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়- চিত্র নদীর পাড়ে একটি ছোট্ট মাঠে মধ্যে তিনটি স্থাপনা রয়েছে। মাঠের পশ্চিম পাশে মসজিদ, আর উত্তর পাশে রয়েছে মন্দিরটি। মন্দিরটি উত্তর-দক্ষিণমুখী। মন্দির থেকে একটু সামনে এগোলেই রয়েছে শরীফ আব্দুল হাকিম ও নড়াইল এক্সপ্রেস হাসপাতাল। আর মাঠের দক্ষিণ পাশে রয়েছে একটি রাস্তা।

মন্দিরে পূজা দেখতে আসা লোহাগড়ার হৃদয় দাস বলেন- আমি আগেই এখানকার কথা শুনেছিলাম। একই জায়াগায় পাশাপাশি মন্দির ও মসজিদে যে যার ধর্ম পালন করে। এটা দেখে বেশ ভালো লাগলো। সবাই এ রকম মিলেমিশে থাকলে তো ধর্ম নিয়ে কোনো ঝগড়াঝাটি আর থাকত না।

ওই এলাকার কয়েকজন স্থায়ী বাসিন্দাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন শান্তিপূর্ণভাবে আমরা হিন্দু-মুসলিম একই পরিবারের সদস্য হিসেবে এলাকায় বসবাস করে আসছি। আমাদের এলাকায় কখনও ধর্ম নিয়ে কোনো বিরোধে আমরা লিপ্ত হইনি। এই এলাকার মানুষ মনেপ্রাণে অসাম্প্রদায়িক। প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধর্ম পালনের পাশাপাশি অন্য ধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল।

মহিষখোলা সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি সুমন দাস বলেন- এই এলাকায় মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ বেশি হলেও কখনোই আমাদের পূজা-অর্চনা করতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হই না। আমরা সবাই মিলেমিশে এখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি।

তিনি আরও বলেন- পূজা উদযাপনের সময় সরকারিভাবে ৫০০ কেজি চাউল পাই। নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহযোগিতা করেন। তবে বেশিরভাগ খরচের ব্যবস্থা আমরা নিজেরাই করে থাকি।

মহিষখোলা পুরাতন সাব রেজিঃ কার্যালয় জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান বলেন- আমরা মন্দির কমিটিকে আমাদের নামাজের সময়সূচী দিয়েছি। নামাজের সময় মন্দির কমিটি তাদের কাজক্রম সীমিত রাখেন। নামাজ শেষ হলে স্বাভাবিক নিয়মেই পূজা-অর্চনার কাজ চলে। এ নিয়ে কোনো দ্বন্দ্ব-সংঘাত হয়নি। আমরা সবাই মিলেমিলে একসঙ্গেই বসবাস করছি।

নড়াইল জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অশোক কুমার কুন্ডু বলেন- এ বছর জেলার তিনটি উপজেলার ৫৮২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। আশা করছি, প্রতি বছরের মতো এ বছরও নড়াইলে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
   1234
2627282930  
       
  12345
       
    123
       
   1234
262728    
       
293031    
       
  12345
2728     
       
    123
18192021222324
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
©  2019 copy right. All rights reserved © 71sangbad24.com ltd.
Design & Developed BY Hostitbd.Com
error: কপি করা যাবে না !!