বৃহস্পতিবার, ২৪ Jun ২০২১, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ
করোনা সংক্রমণ রোধে আতঙ্ক নয়, গণ সচেতনতাই উত্তম...নিরাপদ দুরত্বে পথ চলুন, খাবারের আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন.. নাক, মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন...সবচেয়ে ভালো বাড়ীতেই থাকুন... ধন্যবাদ সবাইকে।
সংবাদ শিরোনামঃ

সাংবাদিককে পেটালেন- নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের মঈনুদ্দিন সাদ্দম

নাসির উদ্দিন শাহ্ মিলন- নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ

রাজনীতিতে “যে যতো বেশী মারতে পারবে- সে ততো বড় পদ পাবে” এমন হুংকার দিয়ে, নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের সহঃ সভাপতি খাঁজা মঈনুদ্দিন সাদ্দাম, “দ্বীপ্তমান বাংলাদেশ” অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং সরকারী কলেজের অনার্স (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আব্দুল মোমেনকে ১৪ই নভেম্বর বৃহস্পতি বার বিকেলে সরকারী কলেজ ছাত্রাবাসের সামনে বেধরক পিটিয়েছে।

নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি খাজাঁ মইনুদ্দিন সাদ্দাম ও তার সহযোগী ৮/১০ জন সন্ত্রাসী সাদ্দাম বাহিনী বলে পরিচিত।
মারপিটের সময় মোমেনের কাছে থাকা একটি ডিজিটাল ক্যামেরা তারা ছিনিয়ে নেয়।

ঘটনার সূত্রঃ নীলফামারী শহরের কলেজ স্টেশন নয়খালী পাড়ার ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কবির সরকারের বেকার সন্ত্রাসী পুত্র খাজাঁ মইনদ্দিন সাদ্দাম।

দুই বছর পূর্বে শহরের বড়বাজার এলাকার এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে।

পরবর্তীতে মেয়েটি বিয়ের চাপ দিলে সাদ্দাম কু-কৌশলে মেয়েটিকে মশিউর রহমান ডিগ্রী কলেজের পাশ্ববর্তী দিনাজপুর ক্যানেলের ধারে ঔষধ সেবন করিয়ে পানিতে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনাটি দ্রুত ছড়ালে, এই সংবাদটি আব্দুল মোমেন তার পত্রিকায় প্রকাশ করেন। সংবাদটি প্রকাশের পর নীলফামারীতে তোলপাড় শুরু হয়।

পরবর্তীতে সাদ্দামের পরিবার মেয়ের পরিবারকে ক্ষতি পূরণ দিয়ে রক্ষা পায়।
আব্দুল মোমেন জানান, শীর্ষ টাইমস২৪ ডটকম অনলাইন পত্রিকার নীলফামারী প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলামের সাথে সরকারী কলেজের ভিতর দিয়ে তার ছাত্রাবাসে যাওয়ার সময় কলেজ ছাত্রাবাসের সামনে ওৎ-পেতে থাকা খাঁজা মইনদ্দিন সাদ্দাস ও তার সহযোগী ৮/১০ জন সন্ত্রাসী আমার উপর হামলা চালায়। তারা আমাকে কিল ঘুষি, রড ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে গলা চিপে হত্যার চেষ্টা করে। আর বলতে থাকে ”যে যত বেশী মারতে পারবে সে তত বড় পদ পাবে” আমার সহযোদ্ধা রাশেদুল ইসলাম আমাকে বাঁচাতে চিৎকার শুরু করলে আমাদের সঙ্গে থাকা একটি ডিজিটাল ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে অসচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল হাসান শাহ আপেলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সাধারণ সম্পাদক মাসুদ সরকারের সাথে কথা হলে তিনি জানান- আমি নীলফামারীর বাহিরে রয়েছি, মারপিটের বিষয়টি জানা নেই। তবে এমন ঘটনা ঘটলে তদন্ত পূর্বক সাদ্দামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
   1234
2627282930  
       
  12345
2728     
       
    123
18192021222324
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
©  2019 copy right. All rights reserved © 71sangbad24.com ltd.
Design & Developed BY Hostitbd.Com