ডেস্ক সংবাদ.
দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে চলা আইনি লড়াই শেষে আদালত ও প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজের ক্রয়কৃত জমির দখল ফিরে পেয়েছেন কুষ্টিয়ার পোড়াদহ এলাকার বাসিন্দা মো. ইকরামুল হক। তবে জমি বুঝে পাওয়ার পরও প্রতিপক্ষের হুমকিতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে তিনি ও তার পরিবার।
ঘটনাটি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আইলচারা ইউনিয়নের বড় আইলচারা এলাকায়। ভুক্তভোগী মো. ইকরামুল হক জানান, তিনি মোছা. আনোয়ারা বেগমের কাছ থেকে মোট ৪৯ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি বৈধভাবে খোশকবলা দলিলে ক্রয় করেন। তবে পরবর্তীতে পাশের জমির মালিক মো. বশির উদ্দিন জোয়ার্দ্দার ও তার ভাইয়েরা বিভিন্নভাবে ওই জমি দখল করে নেয় বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা জানায়, একাধিকবার সালিশ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সমাধানের চেষ্টা করলেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের শরণাপন্ন হন ইকরামুল হক। আদালত জমির কাগজপত্র ও রেকর্ড যাচাই-বাছাই শেষে তার পক্ষে রায় দেন।
দীর্ঘদিনের আইনী প্রক্রিয়া শেষে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ২৩ মে ২০২৬ তারিখে কুষ্টিয়া প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সরেজমিনে জমি পরিমাপ করা হয়। পরে সীমানা নির্ধারণ করে মো. ইকরামুল হকের কাছে জমির দখল বুঝিয়ে দেয় প্রশাসন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, যুগ্ম জেলা জজ ৩য় আদালত, কুষ্টিয়ার দেওয়ানি মামলার আদেশের ভিত্তিতে প্রশাসনের সহযোগিতায় জমি হস্তান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে বড় আইলচারা মৌজার একাধিক দাগে মোট ৪৯.৫০ শতাংশ জমির উল্লেখ রয়েছে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্থান ত্যাগ করার পর প্রতিপক্ষ মো. বশির উদ্দিন জোয়ার্দ্দার ও তার সহযোগীরা আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে মো. ইকরামুল হককে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে শুরু করেন।
এ বিষয়ে মো. ইকরামুল হক বলেন, দীর্ঘ দুই বছর ধরে মামলা, হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছি। আদালতের মাধ্যমে জমি ফিরে পেলেও এখনো নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তার পরিবারের সদস্যরাও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও আইনি সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্র বলছে, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সচেতন মহল মনে করছেন, আদালতের রায় কার্যকর হওয়ার পরও যদি কোনো পক্ষ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
“উপদেষ্টা
ও সম্পাদক
মন্ডলী”
প্রধান উপদেষ্টা- মোঃ মকবুল হোসেন।
আইন উপদেষ্টা- মোঃ জুয়েল ইসলাম।
প্রকাশক ও সম্পাদক- লাতিফুল সাফি ডায়মন্ড।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পি সরকার।
“বার্তা
সম্পাদকীয় অস্থায়ী
কার্যালয়”
নিরাপদ টেলিকম এন্ড এন্টারটেইনমেন্ট,
কিশোরগঞ্জ রোড, তারাগঞ্জ বাজার- রংপুর মোবাইলঃ +8801735661194.
সংবাদ পাঠানোর ই-মেইলঃ 71sangbad24.com@gmail.com,
পত্রিকাটি বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশনে নিবন্ধিত-(আই ডি নং-364) এবং বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রনালয়ে জাতীয় নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন।