রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি.
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সভাপতি বিরুদ্ধে কৃষকদল নেতার করা বানোয়াট মামলায়, ঠাকুরগাঁও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)’র এক তদন্তকারী কর্মকর্তার মনগড়া ও মিথ্যা প্রতিবেদন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা।
পিবিআই এর সেই কর্মকর্তার মিথ্যে প্রতিবেদনের ফলে ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিককে (আশরাফুল আলম) কারাগারে নেয়া হয়েছিল বলে তাদের দাবি। এ বিষয়ে গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবে এক সাধারণ সভায় এই ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রেসক্লাব সংশ্লিষ্ট সদস্যরা।
জানা গেছে, পিবিআই উপ-পরির্দশক মিলন ইসলাম ঠাকুরগাঁও আদালতে পক্ষপাতমূলক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। গত ২৪ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন ভুক্তভোগী সাংবাদিক, মামলায় নিযুক্ত এ্যাড. তাঁর জামিন চাইলে- আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে (আশরাফুল আলম) কারাগারে পাঠান।
এছাড়াও সাংবাদিকদের দমিয়ে রাখতে হঠাৎ কোটিপতি মাসুদ রানা আরো ৭ সাংবাদিকের নামে সাইবার আইনে মামলা করে হয়রানি করার অপকৌশল করছে।
জানা যায়, প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক আশরাফুল, তার নিজ ভাই খাইরুল ও সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদকে জড়িয়ে কৃষকদল ওই নেতা মাসুদ রানা একটি চাঁদাবাজি ও ছিনতাই মামলা করেন। সেই মামলায় পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তার দেয়া মিথ্যে প্রতিবেদনের ফলে আসামি পক্ষের জামিন নামঞ্জুর করা হয় বলে দাবি প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের।
এসময় আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সহ. সভাপতি মাসুদ রানা পলক, সম্পাদক খুরশিদ আলম শাওন, সাংবাদিক ছবি কান্তদেব, আনিসুর রহমান বাকি, মোবারক আলী, ফারুক আহাম্মদ, বিপ্লব, বিজয় রায়, সবুজ ইসলাম, নাজমুল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল নোমান উপস্থিত ছিলেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক আশরাফুল আলম বলেন, তার নিজ ভাইসহ ৭ জনকে আসামী করে মামলা করেছেন একটি মামলা করেছে। মামলায় বলা হয়েছে আমরা সবাই মিলে তাকে ছিনতাই চাঁদাবাজির চেষ্টা করেছি। তিনি আরো বলেন, সব চেয়ে আর্শ্বযজনক বিষয় হচ্ছে মামলার বাদীর সাথে গত কয়েক মাসেও আমার সাথে দেখা হয়নি। তাছাড়া আমি একজন কিডনির অস্ত্রপাচার হওয়া রোগী। মাসুদের মামলাটি পুরোপরি সাজানো ও মিথ্যা। পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তা মিলন মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে সাজানো মামলাকে সত্যে রুপান্তরিত করতে মিথ্যে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। আমি ওই মামলাটি পুনরায় তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। এছাড়াও সাংবাদিকদের দমিয়ে রাখতে "হঠাৎ কোটিপতি মাসুদ রানা" আরো ৭ সাংবাদিকের নামে সাইবার আইনে মামলা করবে বলে- ওরাল কথা ছড়াচ্ছে, এমন নিন্দনীয় ষড়যন্ত্রের আমি তীব্র্র নিন্দা জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও পিবিআইয়ের উপ-পরির্দশক মিলন ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, প্রথমত বিবাদী পক্ষ আমাকে অসহযোগিতা করেছে। তাছাড়া স্থানীয়দের স্বাক্ষর ও প্রমাণাদির উপর ভিত্তিকরে আমি তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছি।
উল্লেখ্য যে- রাণীশংকৈল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপজেলা কৃষকদলের সহ. সভাপতি মাসুদ রানার হঠাৎ করে কোটিপতি বনে যাওয়ার বিষয় আলোচনা উঠে আসে। এর পেক্ষিতে সংবাদ অনুসন্ধানসহ তার বক্তব্য নিতে গেলে তিনি রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। হুমকি দেওয়া অডিও ক্লিপটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, স্থানীয় সাংবাদিকরা মাসুদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে। বিএনপির এই নেতা (মাসুদ) নিজের অপরাধ আড়াল করতেই সাংবাদিকদের ভয়ভীতি ও হয়রানিমুলক মিথ্যে মামলা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক সপ্তাহে কারাভোগের পর গত ১ জানুয়ারি তিনি (আশরাফুল আলম) জামিনে মুক্ত হন।
“উপদেষ্টা
ও সম্পাদক
মন্ডলী”
প্রধান উপদেষ্টা- মোঃ মকবুল হোসেন।
আইন উপদেষ্টা- মোঃ জুয়েল ইসলাম।
প্রকাশক ও সম্পাদক- লাতিফুল সাফি ডায়মন্ড।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পি সরকার।
“বার্তা
সম্পাদকীয় অস্থায়ী
কার্যালয়”
নিরাপদ টেলিকম এন্ড এন্টারটেইনমেন্ট,
কিশোরগঞ্জ রোড, তারাগঞ্জ বাজার- রংপুর মোবাইলঃ +8801735661194.
সংবাদ পাঠানোর ই-মেইলঃ 71sangbad24.com@gmail.com,
পত্রিকাটি বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশনে নিবন্ধিত-(আই ডি নং-364) এবং বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রনালয়ে জাতীয় নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন।