শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ
করোনা সংক্রমণ রোধে আতঙ্ক নয়, গণ সচেতনতাই উত্তম...নিরাপদ দুরত্বে পথ চলুন, খাবারের আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন.. নাক, মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন...সবচেয়ে ভালো বাড়ীতেই থাকুন... ধন্যবাদ সবাইকে।

এক হাতেই ৯ বছর ধরে রিক্সা চালাচ্ছেন আলম

মাহবুবুর রহমান জিলানী- গাজীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
দীর্ঘ ৯ বছর ধরে এক হাতের উপর ভর করে চালাচ্ছেন তিন চাকার বাংলা রিক্সা।

দেখলে অবাক হওয়া মতো, কিন্তু তিনি কারো কাছে হাত পেতে চেয়ে খাওয়া চেয়ে বৃষ্টিতে ভিজে, রোদে পুড়ে কঠোর পরিশ্রম করে স্ত্রী ও দুই সন্তানের ভরনপোষণ ও লেখা পড়ার খরচ চালিয়ে যাওয়া জন্যই তার জীবন সংগ্রাম।

দুই হাত থাকা অবস্থায় ঢাকা ও টঙ্গীর বিভিন্ন তুলার মিলে করতেন চাকুরী।

কিন্তু বিধির বিধান নিয়তি তুলার মেশিনে কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ একদিন তার ডান হাত কাটা পড়ে যায়।

তুলার মেল মালিকের করা চিকিৎসায় দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার থাকার পর সুস্থ হয়ে উঠেন তিনি ।কিন্তু হাত না থাকায় সেখানে বেশি দিন হলো না আর কাজ করা। এ কথা গুলো বলছিলেন এক হতো দরিদ্র ভূমিহীন যুবক মোঃ আলম মিয়া।

জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার ঘোষের পাড়া ভূমিহীন পিতা মঞ্জু শেখের ছেলে মোঃ আলম মিয়া(৩৫)। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে চলছেন তিনি। আলম মিয়া ও তার বাবা, মা সহ থাকেন টঙ্গীর বনমালা রেললাইনে একটি ছোট ভাড়া বাসায়। তার স্ত্রী ও সন্তানরা থাকেন শশুর গ্রামের বাড়িতে।

গ্রামে মাথা গোজার মতো নেই কোনো বসতি ভিটা। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানের জন্য এক হাতেই রিক্সা চালিয়ে সংসারের খরচ ও সন্তানদের লেখা পড়া চালিয়ে যাচ্ছেন।

কাজের সুবাদে ঢাকা ও টঙ্গীতে থাকা হলেও গ্রামে গিয়ে শশুর বাড়িতে উঠতে হয় আলম মিয়াকে। যেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন কোনো ভূমিহীন থাকবেন।

প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ভূমি হীনদের খোঁজে সাড়া বাংলায় সেমি পাকা ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছেন। সেখানে ঘর তো দূরের কথা সরকারি কোনো দান অনুদান পর্যন্ত পাননি তিনি।

এক হাত হারানো কর্মবীর যুবক আলম মিয়াকে সরকার ও বৃত্তবানরা যদি সহযোগিতা করতে চান তার দেওয়া (01313157773 )ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করে সহযোগিতা করতে পারেন।

এ বিষয়ে আলম মিয়া জানান- জমি কিনে ঘর তুলার সামর্থ্য তো নেই, ভূমি হীনদের যেহেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছেন আমি যদি একটা ঘর পেতাম, স্ত্রী সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে পারতাম।

এ বিষয়ে ঘোষের পাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মাসুদ রানা জানান- গ্রামে জায়গা জমি না থাকায় ঢাকা শহরে কাজ করে খায় আলাল ও তার বাবা মা। যখন বাড়িতে আসে আমি সাধ্য মতো তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করি।

এ বিষয়ে জামালপুর জেলা মেলান্দহ উপজেলার ৯নং ঘোষের পাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো সাইদুর রহমান লিটু জানান- আমার ইউনিয়ন পরিষদ ও ব্যক্তিগত ভাবে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হবে। যেহেতু আমাদের ইউনিয়নে ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণ করে দেওয়া সিস্টেম নেই। তবে সে (আলম) যদি চায় পরিবার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আশ্রয় প্রকল্পের ঘরে থাকার ব্যবস্থা করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
       
    123
       
   1234
262728    
       
293031    
       
  12345
2728     
       
    123
18192021222324
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
©  2019 copy right. All rights reserved © 71sangbad24.com ltd.
Design & Developed BY Hostitbd.Com
error: কপি করা যাবে না !!