মঙ্গলবার, ১৬ Jun ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদঃ
অনলাইন ভিত্তিক গণমাধ্যম “৭১সংবাদ২৪.কম” এ প্রতিনিধি আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহীগণ জিবনবৃত্তান্ত পাঠাতে 71sangbad24.com@gmail.com -এ মেইল করুন
সংবাদ শিরোনামঃ
মণিপুর ও খানপুর সীমান্তে বিজিবি চোরাচালান অভিযানে মাদক উদ্ধার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিশ্বের সাথে তাল মেলানোর হাতিয়ার- ইউএনও নড়াইলে ইজিবাইক চোরের মুলহোতা সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রংপুরে ময়লা পানি উঠানে প্রবাহিত হওয়ার ঘটনায় মারামারি নিজ স্কুলের ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক বরখাস্ত নড়াইলে বিপুল পরিমাণ এস্কাফ সিরাপসহ যুবক গ্রেপ্তার বিরামপুরের খানপুর ইউনিয়নে ভিডব্লিউবি’র চাল বিতরণ শুরু ফুলবাড়ীর মাদিলা হাটে প্রচুর টাকা ব্যয়ে খাদ্য গুদামের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে ফুলবাড়ী সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে বিজিবির কড়া নজরদারী নড়াইলে যাত্রীবাহী বাস উল্টে শিশুসহ আহত ২০ নড়াইলে বজ্রপাতে নিহত ২ রংপুরে নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার পীরগঞ্জে ৮৩৬৬ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ধান সংগ্রহ শুরু তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর দিনাজপুরে সাঁওতাল তরুণীর ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন সীমান্তে ভারতীয় নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা- কড়া বার্তা বিজিবির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় দুইজন রিমান্ডে নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান রংপুর বিভাগে শ্রেষ্ঠ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে জাতীয় দৈনিক মতপ্রকাশ পত্রিকার ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

লোকসানে পড়ায় হাসকিং মিল ও চাতাল বন্ধের পথে

আফজাল হোসেন- দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
একসময় ধান সংগ্রহের পর চাতালে শুকিয়ে হতো চাল প্রক্রিয়ার কাজ। এগুলোকে বলা হতো হাসকিং মিল বা চাতাল। শুধু চাল-ই নয়, গম, ভুট্টা, শরিষাসহ বহু শষ্য শুকানো হতো চাতালে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ধান ও চালের মূল্য এবং অটো রাইস মিলের কারণে লোকসানের পড়ে চাতাল গুলো আজ বিলুপ্তির পথে। তাই চাতাল ভেঙ্গে কেউ কেউ গড়ে তুলেছেন আাসা বাড়ি, দোকানপাট। আবার কেউ কেউ গড়ে তুলছেন গরুসহ হাঁস-মুরগি, ছাগল-ভেড়ার খামার। এমন চিত্র দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা জুড়ে। চাতাল ব্যবসায় দুর্দিন চলায় মালিকরা ব্যবসা বদলাচ্ছেন।

দাউদপুর বাজারে হাসকিং মিল মালিক আ.মতিন বলেন, বাজার থেকে ধান কিনে চাল বানিয়ে বিক্রি করলে লাভ তো দুরের কথা,লোকসানের ঘানি টানতে ব্যবসা শেষ হয়ে যায়।বিশেষ করে হাসকিং মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের তৈরি চাল আর অটো রাইস মিলের চালের দর প্রকারভেদে প্রতি মনে একশো থেকে দেড়শো টাকা বেশি। অথচ বাজার থেকে ধান কেনার সময় প্রায় একই দরে কেনাকাটা হয়। এজন্য এই ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভবপর হচ্ছে না।

উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক মোফাখখেরুল চৌধুরী বলেন, উপজেলা খাদ্য বিভাগের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৯৪ টি চালকলের মধ্যে হাসকিং ৯১টি এবং অটো রাইস মিল ৩টি। এর মধ্যে সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন মাত্র ৬০ জন চালকল মালিক। অটো রাইস মিলের চালের সঙ্গে হাসকিং মিলের তৈরি চাল কিছুটা নিম্ন মানের হওয়ায় চলমান বাজারে টিকতে পারছেনা। কিন্তু যারা হাসকিং চাতাল মিল ব্যবসায়ী আছে, বর্তমান ধানের বাজার মূল্যের সঙ্গে চালের দামের সমন্বয়হীনতার কারনে তাদের ব্যবসায় বড় ধরনে লোকসান দেখা দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

©2019 copy right. All rights reserved 71sangbad24.com
Design & Developed BY Hostitbd.Com